একটা সময় ভাবা হতো মেটাবলিক ডিজিজ বা রোগগুলো শুধু বয়স হলে বাড়ে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞানের কারণে সেই ধারণা বদলেছে। বিশেষ করে পরীক্ষা নিরীক্ষার সুযোগ সুবিধা বাড়ার কারণে আগের চেয়ে রোগ নির্ণয়ের হার বেড়েছে কয়েকগুণ।
যেমন কিনা এখন ঘরে ঘরে ফ্যাটি লিভার। তরুণরাও পিছিয়ে নেই একদম। ফ্যাটি লিভার বিষয়টা আসলে কি?
সহজভাবে ভাবলে লিভারে অতিরিক্ত চর্বি। আমাদের পুরো শরীর জুড়েই চর্বির আস্তানা। কিন্তু বাড়তি চর্বি শরীরের জন্য ভালো নয়। লিভারের কোষে যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত চর্বি জমে সেটি একসময় লিভার নষ্টের কারণ হতে পারে। লিভার সিরোসিস থেকে শুরু করে লিভার ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।
কেন হয় এই ফ্যাটি লিভার? আমাদের খাবারে শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। জাতিগতভাবে আমাদের হাঁটার অভ্যাস কম। আমরা ভোজন বিলাসী। তেলে ভাজা খাবার আমাদের অনেক পছন্দ। পশ্চিমা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমার এখন ফাস্ট ফুড, রাত জাগা, মদ্যপান, ধূমপান সবধরনের খারাপ অভ্যাসগুলো রপ্ত করে ফেলেছি। এগুলো সবই ফ্যাটি লিভারের অন্যতম একটা কারণ।
এছাড়া বাড়তি ওজন, ডায়াবেটিস, মেয়েদের ক্ষেত্রে পলিসিস্টিক ওভারি একটা বিশেষ ভূমিকা কিংবা সংশ্লিষ্ট কারণ হিসেবে কাজ করে।
কি করবেন এখন?
আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে আনুন। যাদের ওজন বেশি তারা শতকরা সাত থেকে দশ ভাগ ওজন কমিয়ে ফেলুন।প্রতিদিন হাঁটুন কমপক্ষে ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ মিনিট। সপ্তাহে কমপক্ষে দেড়শো মিনিট। যেখানে লিফট এবং সিঁড়ি দুটোই আছে সেখানে সিঁড়ি ব্যবহারের চেষ্টা করুন।
খাবার তালিকা থেকে চিনি, মিষ্টি , মদ একদম বাদ দিন। লাল মাংস কম খান। সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখুন।ধূমপান কে না করুন।